স্পর্শের কবিতা
বারুদের ঘর্ষণে যেরুপ স্প্রিন্টার ছিটকে পড়ে
তোমার স্পর্শ তার চে’ কম নয়
কেন যে তোমার হাতে হাত ঠেকলে
আমার ভেতরটা খান খান হয়ে ছিটকে পড়ে
চোখে চোখ পড়লে তো আরও
একবার, এক গ্লাস পানি চেয়েছিলাম
মনে আছে?
তোমার কনিষ্ঠাঙ্গুলির সাথে আমার কনিষ্ঠাঙ্গুলি ঠেকেছিলো
রক্তের ভেতর কি যে চুরমার হয়েছিলো!
চোখে চোখ ঠেকলে তো মরে যাই যাই
বারুদ কেবল বস্তুতে বস্তুতে আগুন ধরায়
মানুষে মানুষে আগুন ধরায় কে?
এক মানুষ আরেক মানুষে পুড়ে যায়!
অদ্ভূদ ঝলসে যাওয়া সে এক!
চামড়ায় তার দাগ নেই
দাগ পড়ে কেবল কলিজার ওপরে
যেখানে মখমলি অন্তরটা টাঙানো আছে
বুকে বুক ঠেকলে কেমন হবে
কেমন করে পুড়ে যাবো
কোথায় তার চিহ্ন লেগে থাকবে
ঘর্ষণের ঘটনাটা ঘটবে কোথায়
বারুদের স্প্রিন্টার ফেটে রক্তাক্ত হবে কোনখানে
সত্যি আমি জানি না!
দায়মুক্তির কবিতা
আমার প্রথম কবিতা ছাপা হয়েছিলো যায়যায়দিনে
সেদিন বসন্ত নেমেছিলো আমার সংসারে
সংসারে ফুটফুটে সন্তানের মতোন
মেতে উঠেছিলো বাড়ির আনাচে কানাচে
সেদিন বৃষ্টি পড়েছিলো দু চারটি
যায়যায়দিন আমার আঙুল ছেপেছিলো
যে আঙুলে কবিতা টাইপ করি
আমার বোধ ছাপার বদলে ছেপেছিলো কালো অক্ষর
সম্পাদক মহোদয়ের হজমশক্তি খুব ভালো
আমার কবিতা হজম করেছিলেন
অনেকেই,যাদের হজমের সমস্যা
তারা আমার কবিতা ছাপেন নি
এখনও ছাপেন না——
আরো পড়ুন
নগর পিতা পড়ুন এখানে
খৈয় কাদের বিষয়ক প্রবন্ধ পড়ুন এখানে
অনুতাপ পড়ুন এখানে
নকল চোখ পড়ুন এখানে
